Home / খেলাধুলা / ইংলিশদের ২৭৩ রানের টার্গেট দিলো বাংলাদেশ

ইংলিশদের ২৭৩ রানের টার্গেট দিলো বাংলাদেশ

a90জিততে হলে ইংল্যান্ডকে রেকর্ড গড়তে হবে। বাংলাদেশ তাদের সামনে জয়ের জন্য ২৭৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছে। এশিয়ার মাটিতে চতুর্থ ইনিংসে ২০৯ রানের বেশি তাড়া করে কখনো জিততে পারেনি ইংলিশরা। এই মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামেই ২০১০ সালে বাংলাদেশের ২০৯ রান তাড়া করে জিতেছিল তারা।

ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে অল আউট হয়েছে ২৯৬ রানে। তাতে লিড থেকেছে ২৭২ রানের। এই উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করে জেতা ইংল্যান্ডের জন্য সহজ হওয়ার কথা না। প্রথম ইনিংসে তারা করেছিল ২৪৪ রান। আর বাংলাদেশ ২২০।

রবিবার বাংলাদেশ খেলা শুরু করে ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে। ১২৮ রানের লিড তখন। আগের দিন ৫৯ রানে অপরাজিত ইমরুল কায়েসের ৭৮, সাকিব আল হাসানের ৪১ এবং শেষের দিকে শুভাগত হোমের অপরাজিত ২৫ রানে লড়ার মতো পুঁজি পায় স্বাগতিকরা। আট নম্বরের ব্যাট করা শুভাগতর ইনিংসটা বিশেষ উল্লেখযোগ্য। লিডটা তাতে আরো বড় হয়েছে। আগের দিন তামিম ইকবাল ৪০ ও মাহমুদ উল্লাহ ৪৭ রানের দারুণ ইনিংস খেলে গেছেন।

এদিন সকালের প্রথম ঘণ্টার প্রায় পুরোটা কাটল নিরাপদে। চতুর্থ উইকেটে ইমরুল কায়েস ও সাকিব আল হাসান ৪৮ রানের জুটি গড়লেন ১৪.১ ওভারে। দলের রান ২০০ হলো। কিন্তু তারপর বিপদ আসে দল বেঁধে। লাঞ্চের আগে পড়ে ৪ উইকেট। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আরেকটি সেঞ্চুরির সুবাস পাচ্ছিলেন ইমরুল। দারুণ ধৈর্য নিয়েই খেলছিলেন। কিন্তু মঈন আলির নিচু হয়ে যাওয়া বল মিস করে এলবিডাব্লিউর শিকার তিনি। ১২০ বলে ৯ বাউন্ডারিতে ৭৮ রানে শেষ হলো ইমরুলের ইনিংসটা।

ওখান থেকে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও সাকিব ২৩৮ রান পর্যন্ত নেন দলকে। তারপর জোড়া ধাক্কা। ব্যক্তিগত ২৩ রানে ক্যাচ দিয়েও বেন ডাকেটের জন্য বেঁচে গিয়েছিলেন সাকিব। সেখান থেকে বেশি দূর যাওয়া হলো না। ৪১ রানের সময় আদিল রশিদের টার্নিং বলটা বোল্ড করে ছাড়ল তাকে। ৮১ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ওই রান সাকিবের। দলের ওই ২৩৮ রানেই অযথা বেন স্টোকসের লাফিয়ে ওঠা বলকে খোঁচায় স্লিপে অ্যালিস্টার কুকের হাতে তুলে দিলেন মুশফিক। ব্যাটটা সরিয়ে নিলেই পারতেন অধিনায়ক। যথাক্রমে ৪ ও ৯ রান দিয়ে শেষ হলো মুশফিকের ক্যারিয়ার মাইলস্টোন ৫০তম টেস্টের ব্যাটিং।

২৩৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ। সাব্বির রহমান ও শুভাগত হোমের ওপর তখন অনেক কিছু নির্ভর করে। ৩০ রান আসল এই জুটিতে। কিন্তু লাঞ্চের দরজায় টোকা দিয়ে সাব্বির ব্যক্তিগত ১৫ রানে আদিলের দ্বিতীয় শিকার। ধাক্কা খেয়েই আহারে গেল বাংলাদেশ।

সেখান থেকে ফিরে দ্রুত শেষের পথে যাচ্ছিল বাংলাদেশের ইনিংস। লাঞ্চ থেকে ফিরেই ৩ রানের মধ্যে তাইজুল ইসলাম (৫) ও মেহেদী হাসান মিরাজ (২) বিদায় নেন। ৯ উইকেটে ২৭৬ থেকে দলকে –পর্যন্ত নেওয়ার কৃতিত্বটা শুভাগত ও কামরুল ইসলাম রাব্বির (৭) শেষ উইকেট জুটির। ওই জুটিতে দারুণ মূল্যবান ২০ রান করেছেন তারা। ইনিংসের একমাত্র ছক্কাটি রাব্বি মেরেছেন আদিলকে। শুভাগত ২৮ বলে অপরাজিত ২৫ রানের যে ইনিংসটি খেলেছেন ৪ বাউন্ডারিতে তা সোনার চেয়ে দামী! তাতে যে বাংলাদেশের লিডটা আরো বড় হয়েছে।

Check Also

আজ পারবে কী বাংলাদেশ!

প্রত্যাশার কমতি ছিল না ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে। টেস্ট সিরিজে বাজেভাবে হারের পরও সীমিত ওভারে গত …

Leave a Reply

Your email address will not be published.