Home / আন্তর্জাতিক / ই-মেইল বিতর্ক থেকে মুক্তি পেলেন হিলারি

ই-মেইল বিতর্ক থেকে মুক্তি পেলেন হিলারি

a309ই-মেইল বিতর্কে যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার যে হুমকি ছিল, তা তুলে নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের কাছে ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার দাবি তোলার সুযোগ পেলেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার মাত্র এক দিন আগে এফবিআইয়ের পরিচালক জেমস কোমি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ই-মেইল ব্যবহারের বিষয়ের তদন্ত বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী শিবিরে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

ট্রাম্প শিবির এ সুযোগে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন করে হিলারিকে নিয়ে যে বিতর্ক ছড়াল, তাতে ৬৯ বছর বয়সী সাবেক ফার্স্ট লেডির প্রথম মার্কিন নারী প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ট্রাম্পের চেয়ে হিলারির পয়েন্টের দিক দিয়ে এগিয়ে থাকার ব্যবধান কমে এসেছে। এ বিতর্কের আগে ট্রাম্পের চেয়ে হিলারি ৫ দশমিক ৭ শতাংশ এগিয়ে থাকলেও এখন তা কমে ২ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে।

উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে হিলারি আইন ভেঙেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে এক বছর ধরে তদন্ত করে এফবিআই। চলতি বছরের জুলাইয়ে তদন্ত শেষ হয়।

গত ২৮ অক্টোবর জেমস কোমি এক চিঠিতে আইনপ্রণেতাদের বলেছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে হিলারি সরকারি সার্ভারের বদলে ব্যক্তিগত সার্ভার ব্যবহারের সময় কোনো ‘গোপনীয়’ তথ্য চালাচালি করেছিলেন কি না, তা নিয়ে এফবিআই নতুন করে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে। তিনি বলেছিলেন, ‘এফবিআইয়ের তদন্ত দল এ ব্যাপারে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।’ হঠাৎ ফাটানো এফবিআইয়ের ওই বোমায় বেকায়দায় পড়েন হিলারি।

হিলারির প্রচারণা শিবিরের যোগাযোগ পরিচালক জেনিফার পালমিয়েরি এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘তদন্তে তিনি (জেমস কোমি) যা পেয়েছেন, এতে আমরা খুশি। আমরা এ ব্যাপারে তো জানিই, তদন্ত করে তিন এটাই পাবেন। এ বিষয়ের একটি সুরাহা হওয়ায় আমরা খুশি।’

তবে আত্মবিশ্বাসী হিলারি জানিয়েছিলেন, যতই তদন্ত করা হোক, খারাপ কিছুই পাওয়া যাবে না। বরং ভোটের মাত্র ১০ দিন আগে এমন একটি সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো, তার ব্যাখ্যা চান এফবিআইয়ের কাছে।

একের পর এক যৌন হয়রানির অভিযোগের মুখে ডুবতে থাকা রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প এফবিআইয়ের সরবরাহ করা ওই নতুন রসদ লুফে নেন।

Check Also

রাখাইন সমুদ্রবন্দরের ৭০ শতাংশ দখলে নিচ্ছে চীন

মিয়ানমারের রাখাইনে গভীর সমুদ্রবন্দরের ৭০ শতাংশ অংশীদারিত্ব নিচ্ছে চীন। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দর বিষয়ে ইতোমধ্যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.