Home / on-scroll / বাংলাদেশ থেকে প্রথম কার্ডিনাল হলেন প্যাট্রিক ডি রোজারিও

বাংলাদেশ থেকে প্রথম কার্ডিনাল হলেন প্যাট্রিক ডি রোজারিও

untitled-17নতুন ১৭ ধর্মযাজককে কার্ডিনাল মনোনীত করেছেন পোপ ফ্রান্সিস, যার মধ্যো বাংলাদেশের আর্চ বিশপ প্যা ট্রিক ডি রোজারিও রয়েছেন।

সোমবার আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যেমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নতুন কার্ডিনালদের তালিকায় বাংলাদেশের খ্রিস্টান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মগুরু প্যাতট্রিক ডি রোজারিওর নাম দেখা যায়।

বাংলাদেশ থেকে তিনিই প্রথম কার্ডিনাল হলেন। অর্থাৎ পরবর্তী পোপ নির্বাচনে একজন বাংলাদেশিও ভোট দেবেন। পোপও কার্ডিনালদের মধ্য থেকেই নির্বাচিত হন।

রোমের ভ্যা টিকানে রোববার সাপ্তাহিক ভাষণে ক্যা থলিকদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস অপ্রত্যা শিতভাবেই নতুন ১৭ কার্ডিনালের নাম ঘোষণা করেন বলে ভ্যাটিকান রেডিওর প্রতিবেদনে বলা হয়।

বাংলাদেশি প্যা ট্রিক রোজারিও ছাড়া অন্যা ১৬ জন এসেছেন ইতালি, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ভেনেজুয়েলা, বেলজিয়াম, মরিশাস, মেক্সিকো, মালয়েশিয়া, লেসেথো, আলবেনিয়া ও পাপুয়া নিউ গিনি থেকে। এর মধ্যে্ ইতালি থেকে দুজন এবং যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন কার্ডিনাল হয়েছেন।

আগামী ১৯ নভেম্বর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্ডিনাল হিসেবে অভিষিক্ত হবেন বলে পোপ জানান। এই কাডির্নালদের মধ্য থেকে যাদের বয়স ৮০ বছরের নিচে, তারা পোপ নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন।

নতুন কার্ডিনালদের মধ্যে  বাংলাদেশি প্যা ট্রিক ডি রোজারিওসহ ১৩ জনের বয়স ৮০ বছরের নিচে, অর্থাৎ তারা পোপ নির্বাচনের অধিবেশনে যোগ দিতে পারছেন। নতুন অন্যত চার কার্ডিনালের বয়স ৮০ বছরের বেশি।

১৯৪৩ সালে বরিশালের পাদ্রিশিবপুরে জন্ম নেওয়া প্যািট্রিক ডি রোজারিও ২০১১ সালে ঢাকার আর্চ বিশপ বা বাংলাদেশে ক্যাথলিকদের প্রধান ধর্মগুরুর দায়িত্ব নেন।

তৎকালীন ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রধান পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট তাকে বাংলাদেশের আর্চবিশপ হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের কাছ থেকে পলিউম সম্মাননাও তিনি নিয়েছিলেন, যা ক্যা থলিক যাজকদের সর্বোচ্চ সম্মাননা।

বিভিন্ন সেমিনারিতে দীর্ঘ প্রশিক্ষণের পর তিনি হলি ক্রস সংঘের আওতায় ১৯৭২ সালে ফাদার বা পুরোহিত হন।

১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহীর এবং ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রামের বিশপের দায়িত্ব পালন করেন। তারপর ঢাকার সহকারী আর্চ বিশপের দায়িত্বেও ছিলেন এক বছর।

Check Also

হাসপাতালে টাকা দিতে না পারায় খোলা স্থানে সন্তান প্রসব

হাসপাতাল চত্বরে প্রসব বেদনায় চিৎকার করছেন এই নারী। অনেকেই দেখছেন, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসছেন না। …