Home / রাজনিতি / হেফাজতের মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পণ্ড

হেফাজতের মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পণ্ড

a35মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধ করার দাবিতে ধর্মভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের ঢাকায় মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পণ্ড হয়েছে পুলিশের বাঁধায়। তবে রোহিঙ্গাদের অধিকার নিশ্চিত করতে সংগঠনের পক্ষ থেকে মিয়ানমার সরকারের কাছে বাংলাদেশে দেশটির রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (০১ ডিসেম্বর) সকালে মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি উপলক্ষে সকালে পল্টন মোড়ে জড়ো হন হেফাজতের কয়েক হাজার নেতাকর্মী। তারা ওই এলাকায় বিক্ষোভ এবং মিছিল করলেও তাদেরকে গুলশানের দিকে যেতে দেয়নি পুলিশ। পরে সংগঠনের নায়েবে আমির নুর হোসেন কাসেমীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল চিঠি নিয়ে মিয়ানমার দূতাবাসে যায়। তারা হেফাজত আমির আহমেদ শাহ শফীর সই করা চিঠিটি পৌঁছে দেন।

হেফাজতের কর্মসূচিতে সম্ভাব্য গোলযোগ এড়াতে ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। মোতায়েন করা হয় জল কামান এবং সাঁজোয়া গাড়ি। দায়িত্ব পালন করে বিপুল সংখ্যক পুলিশ।

রোহিঙ্গাদেরকে অবাধে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়ার দাবি জানিয়ে হেফাজতের নায়েবে আমীর নূর হোসেন কাসেমী বলেন, ‘সরকার যদি তাদের খাওয়া পরার ব্যবস্থা করতে না পারে তবে হেফাজত তাদের সমস্ত কিছু বহন করবে।’

কাসেমী বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নিরপরাধ রোহিঙ্গা মুসলিম নিধনে চালাচ্ছে গণহত্যা। রাখাইন মগদস্যু এবং সামরিক বাহিনীর যৌথ বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী আরাকানে নিরস্ত্র, নিরিহ মুসলমান ধ্বংস উৎসবে মেতে উঠেছে। নারী, শিশু, বৃদ্ধ কেউই বাদ পড়ছে না তাদের সে অমানবিক নিপীড়ন থেকে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের মুসলমানরা হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না।’

সমাবেশের পর হেফাজত কর্মীরা মিছিল নিয়ে গুলশানের দিকে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু পল্টন মোড়েই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদেরকে আটকে দেয়।

এরপর হেফাজত কর্মীরা সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় অপেক্ষা করে। পরে তাদের প্রতিনিধি দল একটি প্রাইভেট কারে করে মিয়ানমার দূতাবাসে গেলে হেফাজত কর্মীরা ফিরে যায়।

এক ঘণ্টারও বেশি সময় এই সড়কটিতে হেফাজত কর্মীদের অবস্থানের কারণে ওই এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয়। পরে অবশ্য হেফাজত কর্মীরা এলাকা ছাড়লে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

হেফাজতের পাঁচ দাবি

মিয়ানমারকে দেয়া চিঠিতে মোট পাঁচটি দাবি উল্লেখ করে হেফাজতে ইসলাম। এগুলো হলো ১. রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যা বন্ধ এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ২. রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে (মিয়ানমারে) স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করতে হবে। যাদেরকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে এবং যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে, তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা। ৩. রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষার নিশ্চয়তা বিধানকল্পে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ দেয়া। ৪. রোহিঙ্গাদের গণহত্যায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। ৫. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে নির্বিঘ্নে কাজ করতে দেয়া।

Check Also

কাদের চাপে ইসলামি ব্যাংকে পরিবর্তন, জানতে চায় বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অর্থমন্ত্রী বলেছেন বিদেশি ও দেশের চাপে তারা ইসলামী …

4 comments

  1. Priligy Page D’Accueil Cialis Et Cancer buy dapoxetine online Achat Vardenafil Buy Arimidex Online India

  2. Buy Synthroid Online Without Script levitra 20mg avis Kamagra Consegna Veloce Francia Levitra Ineffective Zithromax Iv Dose

  3. Tadalafil Overnight Delivery online pharmacy Propecia Generic How Long Kamagra Efectos Ajanta Pharma

  4. Buy Kamagra Online Usa Kamagra Pharmacie Aucune viagra Cialis Doses Ed Meds Overnight Delivery Healthmen

Leave a Reply

Your email address will not be published.